রুকু : ২ আয়াত
: ৪০
পরম করুনাময় পরম
দয়াময় আল্লাহর
নামে শুরু।
১. আমি শপথ করছি কিয়ামত দিনের।
২. আমি আরও শপথ করছি সেই আত্মার
যে নিজের কাজের জন্য নিজেকে ধিক্কার দেয়।
৩. মানুষ কি মনে করে যে, আমি
তার হাড়গুলো একত্র করতে পারবোনা?
৪. আসলে আমি ওর আঙ্গুলের গিরা
পর্যন্ত আবার সাজাতে পারবো।
৫. তবুও মানুষ তা অস্বীকার
করতে চায়, যা তার সামনে আছে।
৬. মানুষ প্রশ্ন করে ‘কবে
কিয়ামতের দিন আসবে?’
৭. যখন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে,
৮. চন্দ্র হয়ে পড়বে জ্যোতিহীন,
৯. এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্র
করা হবে।
১০. সেদিন মানুষ বলবে, ‘আজ
পালাবার জায়গা কোথায়?’
১১. না, কোথাও কোন আশ্রয় নেওয়ার
ঠাঁই নেই।
১২. সেইদিন ঠাঁই হবে তোমার
প্রতিপালকের কাছে।
১৩. সেইদিন মানুষকে জানানো
হবে সে কি করেছে ও কি করেনি।
১৪. মানুষ নিজেই হবে তার নিজের
কাজের দ্রষ্টা,
১৫. যদিও সে নিজের দোষত্রুটি
ঢাকতে চাইবে।
১৬. এ (প্রত্যাদেশ) তাড়াতাড়ি
(আয়ত্ত) করার জন্য তুমি এর সংগে তোমার জিব নেড়োনা।
১৭. এ সংরক্ষন ও আবৃত্তি করানোর
(ভার) আমারই।
১৮. সুতরাং যখন আমি পড়ি তুমি
সেই পাঠের অনুসরন করো।
১৯. তারপর এর বিশদ ব্যাখ্যার
(দায়িত্ব) আমারই।
২০. না, তোমরা প্রকৃতপক্ষে
পার্থিব জীবনকে ভালবাস,
২১. এবং পরকালকে উপেক্ষা কর।
২২. সেদিন কোন কোন মানুষের
মুখ উজ্জ্বল হবে।
২৩. তারা তাদের প্রতিপালকের
মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
২৪. কারও কারও মুখ বিবর্ন
হয়ে পড়বে,
২৫. এই ভয়ে যে, এক প্রলয়কারী
বিপর্যয় আসন্ন।
২৬. যখন প্রাণ হবে কন্ঠাগত,
২৭. এবং বলা হবে, ‘কে তাকে
রক্ষা করবে?’
২৮. তখন তার মনে হবে যে, এই
শেষ বিদায়।
২৯. বিপদের পর বিপদ এসে পড়বে।
৩০. সেদিন সবকিছু আল্লাহর
কাছে ফিরিয়ে আনা হবে।
২
৩১. সে বিশ্বাস করেনি ও নামাজ
পড়েনি,
৩২. বরং সে অবিশ্বাস করেছিল
ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।
৩৩. তারপর সে দেমাক করে তার
পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে গিয়েছিল।
৩৪. দুর্ভোগ তোমার জন্য। আরও
দুর্ভোগ।
৩৫. আবার (বলি) দুর্ভোগ তোমার
জন্য। আরও দুর্ভোগ।
৩৬. মানুষ কি মনে করে যে,
তাকে এমনি ছেড়ে দেওয়া হবে?
৩৭. সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু
ছিলনা?
৩৮. তারপর সে কি রক্তপিন্ডে
পরিনত হয়নি? তারপর আল্লাহ কি তাকে আকার দান ও সুঠাম করেননি?
৩৯. তারপর তিনি তার থেকে সৃষ্টি
করেননি যুগল নর ও নারী?
৪০. এর পরও তাঁর কি মৃতকে
জীবিত করার শক্তি নেই?
No comments:
Post a Comment